বিধানসভার স্পিকার নির্বাচনকে সামনে রেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে তৃণমূল প্রার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ঘিরে জোর রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। শাসকদলের কৌশল, বিধানসভার অঙ্ক এবং বিরোধীদের অবস্থান নিয়ে সরগরম পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহল।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে বিজেপির কৌশল, বিরোধী রাজনীতি এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক সমীকরণ ঘিরে। শাসক-বিরোধী সংঘাতের আবহে এই শপথকে ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ।
কলকাতায় তৃণমূলের একাধিক ‘বেসুরো’ বিধায়কের বৈঠক ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। স্থানীয় পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বার্তা দলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ ও আগামী নির্বাচনী কৌশল নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।
কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আজ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ একাধিক শীর্ষ নেতা। কড়া নিরাপত্তা, লক্ষাধিক মানুষের সমাগম এবং রাজনৈতিক বার্তায় আজ নজর গোটা দেশের।
কলকাতার রেড রোডে ঈদের নামাজে হাজারো মুসল্লির ভিড়ের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রীতি, নিরাপত্তা ও উৎসবের আবহে শহর জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে ভ্রাতৃত্বের বার্তা।
নতুন গভর্নর-ডিজাইনেট রবি আগামী ১১ মার্চ পশ্চিমবঙ্গে পৌঁছাতে পারেন বলে সূত্রের খবর। তাঁর আগমনকে ঘিরে রাজভবনে শুরু হয়েছে প্রশাসনিক প্রস্তুতি। নতুন রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জল্পনা।
SIR প্রক্রিয়া বিকৃত করার অভিযোগ তুলে গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিক্ষোভে নামল বিজেপি। ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে রাজ্য সরকার ও নির্বাচন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার নতুন ফটো স্টোরিতে উঠে এসেছে ২০২৬-এর বঙ্গ নির্বাচনের প্রধান ‘হেভিওয়েট’রা। তৃণমূল, বিজেপি ও বিরোধী শিবিরের শীর্ষ মুখগুলিকে এক ফ্রেমে দেখে স্পষ্ট, এই নির্বাচন হতে চলেছে অভিজ্ঞতা ও আগ্রাসনের বড় লড়াই।
ইডির বিরুদ্ধে আইন ভাঙার অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে শক্ত অবস্থান নিতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, রাজনৈতিক সংকটে দলীয় প্রধানের উপস্থিতি অপরিহার্য এবং এটিকে অপরাধ হিসেবে দেখা গণতন্ত্রের পরিপন্থী।
অযোধ্যা রাম মন্দিরের সম্পূর্ণ নির্মাণ উদযাপনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গেরুয়া পতাকা উত্তোলন করেন। এই অনুষ্ঠান ভারতের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য, জাতীয় গর্ব ও অযোধ্যার দ্রুতবর্ধনশীল পর্যটন উন্নয়নের নতুন অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হলো।