স্বাধীনতার ৭৯তম দিবসে লালকেল্লা থেকে দেশের উদ্দেশে দীর্ঘতম ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রায় দেড় ঘন্টার এই বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে আত্মনির্ভর ভারতের স্বপ্ন দেখালেন, একাধিক সংস্কারের ইঙ্গিত দিলেন এবং সীমান্তে ক্রমবর্ধমান অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন।
আত্মনির্ভর ভারতের ডাক
প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে আবারও আত্মনির্ভর ভারত গড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, ভারতের অর্থনীতি আজ বিশ্বের মধ্যে অন্যতম দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া অর্থনীতি এবং দেশের প্রতিটি নাগরিককে উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে অবদান রাখতে হবে।
মোদি বলেন, “আত্মনির্ভরতার মাধ্যমে ভারত কেবল দেশীয় নয়, আন্তর্জাতিক মঞ্চেও এক নতুন পরিচয় তৈরি করবে।”

সংস্কারের প্রতিশ্রুতি ও নতুন দিশা
এই দীর্ঘ ভাষণে প্রধানমন্ত্রী একাধিক ক্ষেত্রে সংস্কারের আশ্বাস দেন। কৃষি থেকে শিক্ষা, স্টার্টআপ থেকে প্রযুক্তি—সব ক্ষেত্রেই আগামী দিনে নয়া নীতি আসছে বলে জানান তিনি।
বিশেষত যুবসমাজের কর্মসংস্থান এবং নতুন প্রজন্মের জন্য প্রযুক্তিগত দক্ষতার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। মোদি বলেন, “ভারতের তরুণ শক্তিই দেশের প্রকৃত সম্পদ। তাদের হাতে ভবিষ্যৎ ভারত।”

সীমান্তে অনুপ্রবেশের হুঁশিয়ারি
ভাষণের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল জাতীয় নিরাপত্তা ও অনুপ্রবেশের হুঁশিয়ারি। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানান, সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে ভারত দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে। দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারিও বাড়ানো হবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, “ভারতের সীমান্ত ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো আপস হবে না।”

উপসংহার
প্রধানমন্ত্রী মোদির স্বাধীনতা দিবসের দীর্ঘতম ভাষণ একদিকে আত্মনির্ভরতার ডাক, অন্যদিকে সংস্কারের প্রতিশ্রুতি এবং জাতীয় নিরাপত্তার বার্তা বহন করে। এ ভাষণ শুধু একটি রাজনৈতিক বার্তা নয়, বরং ১৪০ কোটির দেশবাসীর জন্য একটি কর্মপন্থার রূপরেখা।
👉 আপনার কী মত? ভারতের আত্মনির্ভরতার পথে কোন খাতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে আপনি মনে করেন? কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না।






