আরজি কর কাণ্ডে IPS ইন্দিরার সাসপেনশন ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তদন্ত, স্বচ্ছতা ও রাজনৈতিক চাপ—সব মিলিয়ে নতুন করে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি।
কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী কী অনুভব করেছিলেন, তা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। আধ্যাত্মিক শান্তি, ধর্মীয় আবেগ এবং রাজনৈতিক বার্তা— সব মিলিয়ে তাঁর এই সফর এখন বাংলার অন্যতম আলোচিত বিষয়।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে বিজেপির কৌশল, বিরোধী রাজনীতি এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক সমীকরণ ঘিরে। শাসক-বিরোধী সংঘাতের আবহে এই শপথকে ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ।
কলকাতায় তৃণমূলের একাধিক ‘বেসুরো’ বিধায়কের বৈঠক ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। স্থানীয় পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বার্তা দলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ ও আগামী নির্বাচনী কৌশল নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।
১ জুন থেকে শুরু হতে চলেছে ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’ প্রকল্প। যোগ্য মহিলাদের প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা সহায়তা এবং সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াতের ঘোষণা ঘিরে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা ও রাজনৈতিক বিতর্ক।
রাজ্য পুলিশ প্রশাসনে ঘন ঘন বদলি নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ। প্রশাসনের ‘অসন্তোষ’-এর মুখে পড়লেই বদলির আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ একাংশের। এই পরিস্থিতিতে পুলিশকর্মীদের মানসিক চাপ, প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা এবং রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।
‘চরৈবেতি’ মন্ত্রকে সামনে রেখে উন্নয়ন এবং কেন্দ্র-রাজ্যের সমন্বয়ের বার্তা দিলেন হবু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী মোদীর স্বপ্নপূরণে পশ্চিমবঙ্গকে নতুন উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই হবে তাঁর সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
আরজি কর হাসপাতাল কাণ্ডে তদন্ত কমিশন গঠন এবং সন্দেশখালিতে দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের ঘোষণা করলেন হবু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চর্চা।
কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আজ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ একাধিক শীর্ষ নেতা। কড়া নিরাপত্তা, লক্ষাধিক মানুষের সমাগম এবং রাজনৈতিক বার্তায় আজ নজর গোটা দেশের।
নতুন গভর্নর-ডিজাইনেট রবি আগামী ১১ মার্চ পশ্চিমবঙ্গে পৌঁছাতে পারেন বলে সূত্রের খবর। তাঁর আগমনকে ঘিরে রাজভবনে শুরু হয়েছে প্রশাসনিক প্রস্তুতি। নতুন রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জল্পনা।