অদানির বড় ঘোষণা: বাংলায় ২০৩৫-এর মধ্যে ১ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ, পাশে মুখ্যমন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গে ২০৩৫ সালের মধ্যে ১ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগের রোডম্যাপ ঘোষণা করল আদানি গোষ্ঠী। বন্দর, লজিস্টিক্স, বিদ্যুৎ, রাস্তা, সবুজ সিমেন্ট ও ডেটা সেন্টারের পাশাপাশি নিউ টাউনে ৪,০০০ কোটির বেশি টাকায় ২,০০০ শয্যার আদানি আরোগ্য মন্দির গড়ে উঠবে।

Table of Contents

Share Our Blog Now :
Facebook
WhatsApp
কলকাতায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে বিনিয়োগ পরিকল্পনা ঘোষণা করছেন গৌতম আদানি

পশ্চিমবঙ্গের শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল আদানি গোষ্ঠী। বৃহস্পতিবার কলকাতায় এক অনুষ্ঠানে গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানি জানান, ২০৩৫ সালের মধ্যে বাংলায় ১ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। বন্দর, লজিস্টিক্স, বিদ্যুৎ, সড়ক, সবুজ সিমেন্ট এবং ডেটা সেন্টার—একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে এই বিনিয়োগ ছড়িয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
ঘোষণাটি আসে নিউ টাউনের বেঙ্গল সিলিকন ভ্যালি টেক হাবে ২,০০০ শয্যার আদানি আরোগ্য মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। হাসপাতাল প্রকল্পে বিনিয়োগের পরিমাণ ৪,০০০ কোটিরও বেশি টাকা বলে জানিয়েছে আদানি গোষ্ঠী।
আদানির বক্তব্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক অবস্থান, বন্দর ও যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে সংযোগ রাজ্যটিকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকাঠামো বিনিয়োগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। তিনি বাংলাকে আদানি গোষ্ঠীর পূর্ব ভারতের ‘কর্মভূমি’ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।
এই ঘোষণাকে ঘিরে বাংলার শিল্পনীতি, কর্মসংস্থান, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ঘোষিত বিনিয়োগের বাস্তবায়ন কত দ্রুত এবং কোন প্রকল্পে কত অর্থ বিনিয়োগ হবে, তা নির্ভর করবে পরবর্তী প্রকল্প পরিকল্পনা, অনুমোদন ও বাস্তবায়নের ধাপগুলির উপর।


১ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগে কোন কোন ক্ষেত্রকে গুরুত্ব

বাংলায় ২০৩৫ সালের মধ্যে ১ লক্ষ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগের রোডম্যাপ ঘোষণা করেছেন গৌতম আদানি।


আদানি গোষ্ঠীর ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিনিয়োগের পরিধি শুধুমাত্র একটি শিল্পক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বন্দর ও লজিস্টিক্স, বিদ্যুৎ উৎপাদন, বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ, রাস্তা, সেতু ও রোপওয়ে, সবুজ সিমেন্ট এবং হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টারের মতো পরিকাঠামো-কেন্দ্রিক ক্ষেত্রে বিনিয়োগের কথা বলা হয়েছে।
এর ফলে বাংলার পরিবহণ ও সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে শিল্প ও ডিজিটাল পরিকাঠামোর সংযোগ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে বন্দর ও লজিস্টিক্স ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়লে পূর্ব ভারতের শিল্পাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং সমুদ্রপথের বাণিজ্যিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন পরিকাঠামো তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিদ্যুৎ ক্ষেত্রেও ঘোষণাটি তাৎপর্যপূর্ণ। উৎপাদনের পাশাপাশি সঞ্চালন ও বিতরণে বিনিয়োগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। একইসঙ্গে সবুজ সিমেন্ট এবং ডেটা সেন্টারের মতো নতুন প্রজন্মের পরিকাঠামোকে পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।


নিউ টাউনে ৪,০০০ কোটির স্বাস্থ্য প্রকল্প, তৈরি হতে পারে ১০ হাজার কর্মসংস্থান

নিউ টাউনে ২,০০০ শয্যার আদানি আরোগ্য মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ও আদানি গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা।


১ লক্ষ কোটি টাকার বৃহত্তর বিনিয়োগ পরিকল্পনার পাশাপাশি ইতিমধ্যেই একটি বড় স্বাস্থ্য পরিকাঠামো প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। নিউ টাউনের বেঙ্গল সিলিকন ভ্যালি টেক হাবে তৈরি হবে ২,০০০ শয্যার আদানি আরোগ্য মন্দির। প্রকল্পটির জন্য ৪,০০০ কোটিরও বেশি টাকা বিনিয়োগের কথা জানিয়েছে আদানি গোষ্ঠী।
প্রায় ৫১.৭৫ একর জমির উপর গড়ে ওঠার পরিকল্পনা রয়েছে এই প্রকল্পের। হাসপাতালের পাশাপাশি মেডিক্যাল কলেজ, গবেষণা পরিকাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যশিক্ষার ব্যবস্থাও রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। আদানি ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটি বছরে বিপুল সংখ্যক রোগীকে পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যক্ষেত্রে প্রায় ১০ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারে।
প্রস্তাবিত হাসপাতালটি শুধু কলকাতা বা পশ্চিমবঙ্গের জন্য নয়, পূর্ব ভারতের বৃহত্তর স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো হয়ে উঠতে পারে। চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা এবং বিশেষায়িত স্বাস্থ্য পরিষেবাকে একই পরিসরে আনার পরিকল্পনা প্রকল্পটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
স্বাস্থ্য প্রকল্পের পাশাপাশি বৃহত্তর বিনিয়োগ পরিকল্পনায় ডিজিটাল পরিকাঠামোর কথাও রয়েছে। হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টার গড়ে উঠলে ক্লাউড কম্পিউটিং, ডিজিটাল পরিষেবা এবং ডেটা-নির্ভর ব্যবসার জন্য পরিকাঠামোগত সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।


বাংলাকে পূর্ব ভারতের পরিকাঠামো ও লজিস্টিক্সের কেন্দ্র করার লক্ষ্য

বন্দর, সড়ক ও লজিস্টিক্স পরিকাঠামোকে কেন্দ্র করে বাংলায় বিনিয়োগের নতুন পরিকল্পনা।


আদানি গোষ্ঠীর ঘোষণায় বাংলার ভৌগোলিক অবস্থান বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। গোষ্ঠীর বক্তব্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ ভারতের শিল্পাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং বঙ্গোপসাগরীয় বাণিজ্যপথের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল হিসেবে কাজ করতে পারে।
এই দৃষ্টিভঙ্গির কেন্দ্রে রয়েছে বন্দর ও লজিস্টিক্স পরিকাঠামো। পণ্য পরিবহণের দক্ষতা বাড়াতে রাস্তা, সেতু এবং অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলে শিল্প ও বাণিজ্যের জন্য পরিবহণ ব্যয় ও সময় কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে নতুন শিল্প প্রকল্পের জন্য উন্নত সংযোগ ব্যবস্থা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
পরিকল্পনার আরেকটি বড় দিক হল জ্বালানি ও ডিজিটাল পরিকাঠামো। বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে সঞ্চালন ও বিতরণ এবং ডেটা সেন্টার পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রকে একই বিনিয়োগ কাঠামোর মধ্যে আনার কথা বলা হয়েছে। ফলে বিনিয়োগ পরিকল্পনাটি প্রচলিত শিল্প প্রকল্পের পাশাপাশি নতুন অর্থনীতির পরিকাঠামোকেও স্পর্শ করছে।
অন্যদিকে, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত সময়সীমা থাকায় এই ঘোষণাকে একটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ রোডম্যাপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ঘোষিত অর্থ বাস্তবে কোন সময়ে, কোন প্রকল্পে এবং কী পরিমাণে বিনিয়োগ হবে, তা পর্যায়ক্রমে স্পষ্ট হবে।


গৌতম আদানির ১ লক্ষ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগের ঘোষণা পশ্চিমবঙ্গের শিল্প ও পরিকাঠামো আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বন্দর, লজিস্টিক্স, বিদ্যুৎ, রাস্তা, সবুজ সিমেন্ট এবং ডেটা সেন্টারের পাশাপাশি ৪,০০০ কোটির বেশি টাকার স্বাস্থ্য প্রকল্পও এই পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
নিউ টাউনে আদানি আরোগ্য মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে ঘোষণার একটি বাস্তব প্রকল্প ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। আগামী দিনে মূল নজর থাকবে বিনিয়োগের বাস্তবায়ন, প্রকল্পের সময়সীমা, কর্মসংস্থান এবং বাংলার শিল্প ও পরিকাঠামো ব্যবস্থায় এর প্রভাবের দিকে।

RELATED Articles :
আইএফএ শিল্ডে ক্যালকাটা কাস্টমসের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গল ফুটবল দলের ম্যাচের দৃশ্য
কলকাতা

আকাশের দাপটে কাস্টমসকে হারিয়ে শিল্ডে ইস্টবেঙ্গলের জয়যাত্রা শুরু

ক্যালকাটা কাস্টমসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে আইএফএ শিল্ড ২০২৬-এ জয় দিয়ে অভিযান শুরু করল ইস্টবেঙ্গল। রিকি ঘরামির গোলে পিছিয়ে পড়েও রোহিত কুমার, রোহিত দানু ও আক্রমণভাগের দাপটে ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ায় লাল-হলুদ।

Read More »
বনেদি থেকে বারোয়ারি পুজো ঘুরে দেখুন আপনিও
কলকাতা

সরকারি বাসে-ট্রামে-লঞ্চে পুজো পরিক্রমা, বনেদি থেকে বারোয়ারি পুজো ঘুরে দেখুন আপনিও

দুর্গাপুজো ২০২৬-এ সরকারি বাস, এসি ট্রাম ও লঞ্চে পুজো পরিক্রমার সুযোগ। বনেদি বাড়ি থেকে জনপ্রিয় বারোয়ারি পুজো, শোভাবাজার রাজবাড়ি থেকে বাগবাজার—জেনে নিন রুট, ভাড়া, সময়সূচি ও বুকিংয়ের তথ্য।

Read More »
পশ্চিমবঙ্গের একটি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতীকী ছবি
কলকাতা

পশ্চিমবঙ্গে মাদ্রাসা নিয়ে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ, ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ২৫০ প্রতিষ্ঠানে সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা

পশ্চিমবঙ্গে মাদ্রাসা নিয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপ আরও বাড়ছে। ২৫২টি প্রতিষ্ঠানকে বন্ধের নোটিস ও প্রায় ১০০টিকে শোকজের পর কম ছাত্রসংখ্যা ও পরিকাঠামোর ঘাটতি থাকা আরও প্রায় ২৫০টি মাদ্রাসা নিয়ে ডিসেম্বরের মধ্যে সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অনুমোদন, নথিপত্র ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ এখন আলোচনার কেন্দ্রে।

Read More »
কলকাতায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে বিনিয়োগ পরিকল্পনা ঘোষণা করছেন গৌতম আদানি
কলকাতা

অদানির বড় ঘোষণা: বাংলায় ২০৩৫-এর মধ্যে ১ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ, পাশে মুখ্যমন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গে ২০৩৫ সালের মধ্যে ১ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগের রোডম্যাপ ঘোষণা করল আদানি গোষ্ঠী। বন্দর, লজিস্টিক্স, বিদ্যুৎ, রাস্তা, সবুজ সিমেন্ট ও ডেটা সেন্টারের পাশাপাশি নিউ টাউনে ৪,০০০ কোটির বেশি টাকায় ২,০০০ শয্যার আদানি আরোগ্য মন্দির গড়ে উঠবে।

Read More »
তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের CEC জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে FIR ও তদন্তের দাবিকে কেন্দ্র করে SIR বিতর্কের খবর; ছবিতে মহুয়া মৈত্র, নির্বাচন কমিশন, ভোটার তালিকা ও Form 6-এর নথি এবং জ্ঞানেশ কুমারের ছবি রয়েছে।
কলকাতা

SIR বিতর্কে CEC জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে মহুয়া মৈত্রের অভিযোগ, FIR চাইলেন

SIR বিতর্কে নতুন মোড়। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় CEC জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা দিয়ে FIR ও তদন্তের দাবি করেছেন। ভোটার তালিকা, Form 6 এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে তাঁর অভিযোগের পাল্টা বক্তব্যও দিয়েছে কমিশন।

Read More »
রবিবার খুলবে ব্যাংক,
কলকাতা

রবিবার খুলবে ব্যাংক, ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে টানা ৩ দিনের ধর্মঘট: গ্রাহকদের জন্য কী জানা জরুরি

সরকারি খাতের ব্যাংক ও আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাংক ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার খোলা থাকবে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া তিন দিনের দেশব্যাপী ধর্মঘটের আগে। গ্রাহক ভোগান্তি কমানো এবং জরুরি ব্যাংকিং কাজ আগেভাগে সম্পন্ন করার সুযোগ দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পাঁচ দিনের ব্যাংকিং সপ্তাহের দাবিতে ইউনিয়নগুলির আন্দোলনও জোরদার হচ্ছে।

Read More »
error: Content is protected !!