‘শোলে’ তারকাদের পারিশ্রমিক কত ছিল? ধর্মেন্দ্র পেলেন ১.৫ লাখ, এ কে হাঙ্গাল মাত্র ৮,০০০—অমিতাভ বচ্চনের আয় শুনে অবাক হবেন

‘শোলে’র তারকারা কে কত পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন—সেই তথ্য সামনে আসতেই নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে সিনেমাটি। ধর্মেন্দ্রর ১.৫ লাখ থেকে এ কে হাঙ্গালের ৮,০০০—এই বৈষম্য বলিউডের সে সময়কার বাস্তবতাকেই ফুটিয়ে তোলে।

Table of Contents

Share Our Blog Now :
Facebook
WhatsApp

ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে এমন খুব কম ছবি আছে, যেগুলো সময়কে অতিক্রম করে কিংবদন্তি হয়ে ওঠে—‘শোলে’ ঠিক সেই তালিকার প্রথম সারিতে। রমেশ সিপ্পির পরিচালনায় ১৯৭৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ক্লাসিক চলচ্চিত্র এখনও দর্শকদের কাছে এক অদম্য আবেগ, এক সাংস্কৃতিক স্মৃতি।
যে ছবির প্রতিটি ডায়লগ, প্রতিটি চরিত্র আজও সমান জনপ্রিয়, সেই ছবির পর্দার পিছনে থাকা আর্থিক তথ্য সবসময়ই ভক্তদের কৌতূহলের বিষয়।

‘শোলে’র শ্যুটিং থেকে শুরু করে তার চোখ ধাঁধানো সেট, বিশাল তারকাসমৃদ্ধ কাস্ট—সব মিলিয়ে এই ছবির বাজেট সে সময়ের তুলনায় ছিল বিপুল। তবে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হচ্ছে, ছবির অভিনেতারা কত পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন! কারণ তারকাদের জনপ্রিয়তা, অভিজ্ঞতা, স্ক্রিন টাইম—সবকিছু মিলিয়ে সে সময়েও এই ফি-স্ট্রাকচার ছিল যথেষ্ট বৈচিত্র্যময়।

ধর্মেন্দ্র, হেমা মালিনী, অমিতাভ বচ্চন, সঞ্জীব কুমার—এদের পারিশ্রমিক এক, আর ক্যারেক্টর অভিনেতাদের উপার্জন ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। সম্প্রতি চলচ্চিত্র মহলের অভ্যন্তরীণ তথ্য সামনে আসতেই নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। অনেকেই অবাক হয়েছেন কে কত পেয়েছিলেন শুনে।
আজ জানুন, ‘শোলে’ তারকাদের আসল পারিশ্রমিক কাহিনি—যা হয়তো আপনার ধারণাকেই বদলে দেবে।


ধর্মেন্দ্র পেলেন সবচেয়ে বড় পারিশ্রমিক—১.৫ লাখ টাকা

https://img.etimg.com/thumb/width-1200%2Cheight-1200%2Cimgsize-720281%2Cresizemode-75%2Cmsid-125536426/news/new-updates/dharmendra-passes-away-from-sholay-to-the-burning-train-bollywoods-he-man-most-memorable-movies-at-a-glance.jpg

ধর্মেন্দ্র তখন বলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় নায়কদের একজন। রোম্যান্স, অ্যাকশন, কমেডি—সব দুরকম ভূমিকাতেই তিনি ছিলেন সমান সাবলীল। ফলাফল—‘শোলে’র পরিচালনা ও প্রযোজনা দল তাকে সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
তথ্য অনুযায়ী, ধর্মেন্দ্র এই ছবির জন্য পেয়েছিলেন ১.৫ লাখ টাকা, যা সে সময়ের হিসাবে ছিল একেবারে প্রিমিয়াম পেমেন্ট।

জয় চরিত্রে ধর্মেন্দ্র শুধু স্ক্রিনে প্রাণ সঞ্চার করেননি; গব্বরের বিরুদ্ধে তার বিদ্রোহ, বসন্তীর সঙ্গে খুনসুটি—সব মিলিয়ে দর্শকদের কাছে তিনি হয়ে উঠেছিলেন ছবির আবেগের কেন্দ্রবিন্দু। তার জনপ্রিয়তার জোরেই ছবির বক্স অফিস সম্ভাবনা বাড়বে—এমনটাই বিশ্বাস করেছিলেন প্রযোজকরা।
সেই কারণেই পারিশ্রমিকের দিক থেকে তিনিই ছিলেন ‘শোলে’র টপ-আর্নার।


অমিতাভ বচ্চন: তারকা হয়ে ওঠার পথে, পারিশ্রমিক তবু কম

https://m.economictimes.com/thumb/height-450%2Cwidth-600%2Cimgsize-58346%2Cmsid-122042022/jai-veeru.jpg

আজ তিনি বলিউডের ‘শাহেনশাহ’। কিন্তু ‘শোলে’ মুক্তির সময় অমিতাভ বচ্চন তখনও উত্থানের পথে থাকা এক প্রতিশ্রুতিবান অভিনেতা। যদিও ‘জঞ্জীর’ তার ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল, তবুও প্রযোজকদের কাছে তিনি তখনও ধর্মেন্দ্র বা সঞ্জীব কুমারের তুলনায় অনেক কম প্রতিষ্ঠিত।

ফল—অমিতাভের পারিশ্রমিক ছিল তুলনামূলকভাবে কম। তথ্য বলছে, তিনি ‘শোলে’র জন্য পেয়েছিলেন প্রায় ১ লাখ টাকারও কম।
তবে তার অভিনয়, সংযত সংলাপ, এবং ট্র্যাজেডি টুইস্ট তাকে সিনেমার আবেগীয় ভিত্তিতে পরিণত করে। জয়ের প্রাণবন্ত উপস্থিতি আর ভিরুর অন্তর্মুখী গভীরতা—দুটির ভারসাম্য দর্শকদের মুগ্ধ করে।

অনেকেই বলেন, যদি অমিতাভ সেই সময় আরও বড় তারকা হতেন, তার ফিও দ্বিগুণ হতো। কিন্তু ভাগ্যের অদ্ভুত পরিহাস—‘শোলে’ই তাকে এমন উচ্চতায় পৌঁছাল, যা পরের দশকে তাকে সুপারস্টার বানিয়ে দেয়।


এ কে হাঙ্গাল: কিংবদন্তি চরিত্র অভিনেতা, পারিশ্রমিক মাত্র ৮,০০০ টাকা

https://www.koimoi.com/wp-content/new-galleries/2024/08/a-k-hangal-sholay-001.jpg

এ কে হাঙ্গাল বলিউডের সবচেয়ে সম্মানিত চরিত্র অভিনেতাদের একজন। তবুও তার পারিশ্রমিক শুনলে অবাক হতেই হয়—তিনি ‘শোলে’র জন্য পেয়েছিলেন মাত্র ৮,০০০ টাকা।
একদিকে যখন নায়কেরা লাখের উপরে আয় করছিলেন, সেখানে এই প্রবীণ অভিনেতার উপার্জন আজকের হিসাবে প্রায় অবিশ্বাস্য।

কিন্তু সংলাপবিহীন গভীর অভিনয়, আবেগের নির্যাস তুলে ধরার দক্ষতা—এসব কিছুর জন্য হাঙ্গাল ছিলেন আলাদা। ‘রহিম চাচা’ চরিত্রের অসহায়তা, নিরুপায় চোখের ভাষা—সবকিছু আজও শোলে প্রেমীদের মনে অমর।
বলিউডে তখন চরিত্র অভিনেতাদের পারিশ্রমিক খুবই কম দেওয়া হতো—এই ঘটনাকে সে সময়ের ইন্ডাস্ট্রি কাঠামোর বিরল উদাহরণ হিসেবেও ধরা যায়।


সঞ্জীব কুমার: গম্ভীর অভিনেতার মূল্যায়ন, তবু ধর্মেন্দ্রর নিচে

https://images.indianexpress.com/2023/07/sanjeev-kumar.jpg

সঞ্জীব কুমার ছিলেন সেই সময়ের অন্যতম শক্তিমান অভিনেতা। যে কোনো চরিত্রে অভিনয় করে সেটিকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা ছিল তার। ‘শোলে’র ঠাকুর চরিত্র তার ক্যারিয়ারের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অভিনয় হিসেবে বিবেচিত।

তথ্য অনুযায়ী, সঞ্জীব কুমার পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন প্রায় ১ লাখ টাকার কাছাকাছি।
ধর্মেন্দ্রর নিচে কিন্তু অমিতাভের উপরে—এটা থেকেই স্পষ্ট তখনকার তারকাব্যবস্থায় তার অবস্থান।

ঠাকুরের প্রতিশোধ, গব্বরের সঙ্গে নীরব সংঘর্ষ, হাত হারানোর পর প্রতিটি দৃশ্যে তার মুখভঙ্গি—সবই শোলে-র জনপ্রিয়তাকে সমৃদ্ধ করে।
এমনকি অনেক সমালোচক আজও বলেন, ঠাকুর চরিত্র না থাকলে ‘শোলে’র আবেগ অনেকটাই অসম্পূর্ণ হয়ে যেত।


হেমা মালিনী ও জয়া ভাদুড়ী: মহিলা তারকাদের পারিশ্রমিক বৈষম্য

https://images.indianexpress.com/2015/08/hema-malini-basanti-480.jpg

হেমা মালিনী সে সময় বলিউডের ড্রিম গার্ল—স্টারডম, জনপ্রিয়তা সবদিক থেকেই তিনি ছিলেন শীর্ষে। ‘শোলে’তে বসন্তী চরিত্রে তার অভিনয় ছবির অন্যতম প্রাণ হয়ে ওঠে।
তবুও তথ্য ইঙ্গিত করছে, হেমা পেয়েছিলেন প্রায় ৭৫,০০০–৮০,000 টাকার মতো।

এদিকে জয়া ভাদুড়ীর স্ক্রিন টাইম তুলনামূলকভাবে কম হলেও তার অভিনয় ছবির আবেগীয় অংশকে সুসংহত করেছে। জয়ার পারিশ্রমিক ছিল আরও কম—প্রায় ২৫–৩০ হাজার টাকা।
এ থেকেই বোঝা যায় তখনও মহিলা তারকাদের মূল্যায়ন পুরুষ তারকাদের তুলনায় যথেষ্ট কম ছিল।


গব্বর সিং—আমজাদ খানের পারিশ্রমিক থেকেও বড় ছিল প্রভাব

https://akm-img-a-in.tosshub.com/indiatoday/images/story/202004/amjad-khan.jpeg

আমজাদ খান তখন প্রায় অচেনা এক নাম। অনেকেই তাকে নেওয়ার বিরোধিতা করেছিলেন, কারণ তিনি ছিলেন তুলনামূলকভাবে নতুন।
তাই তার পারিশ্রমিক ছিল কম—প্রায় ৫০,০০০ টাকার মতো।

কিন্তু ভাগ্যের পরিহাস—সবচেয়ে কম পরিচিত অভিনেতাই তৈরি করলেন ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ংকর ও জনপ্রিয় ভিলেনদের একজন। ‘কিতনে আদমি تھے?’ থেকে ‘হো হো হো…’—তার প্রতিটি সংলাপ আজও দর্শকের মুখে মুখে ছড়ায়।

বলিউডে ভিলেন চরিত্রের গুরুত্ব থাকলেও পারিশ্রমিকের দিক থেকে তারা কখনো নায়কদের সমান মূল্য পেতেন না—গব্বর তার বড় উদাহরণ।


‘শোলে’ শুধু একটি সিনেমা নয়—এটি ভারতীয় চলচ্চিত্র সংস্কৃতির এক যুগান্তকারী অধ্যায়। ছবির বাজেট, অভিনেতাদের পারিশ্রমিক, চরিত্র নির্মাণ—সবকিছুই আজ গবেষণার বিষয়।
ধর্মেন্দ্রর ১.৫ লাখ থেকে শুরু করে এ কে হাঙ্গালের ৮ হাজার—এই বৈষম্যের মধ্যেই লুকিয়ে আছে বলিউডের সে সময়কার তারকাব্যবস্থার বাস্তবতা।

অমিতাভ, সঞ্জীব, হেমা, আমজাদ—প্রত্যেকে নিজের জায়গা থেকে ‘শোলে’কে মহাকাব্যে পরিণত করেছেন। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই এই ছবিকে সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করেছে।
এ কারণেই ৫০ বছর পরেও মানুষ জানতে চায়—কে কত পেল, কেন পেল, এবং সেই পারিশ্রমিক ছবির ইতিহাসে কী অর্থ বহন করে।

RELATED Articles :
আইএফএ শিল্ডে ক্যালকাটা কাস্টমসের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গল ফুটবল দলের ম্যাচের দৃশ্য
কলকাতা

আকাশের দাপটে কাস্টমসকে হারিয়ে শিল্ডে ইস্টবেঙ্গলের জয়যাত্রা শুরু

ক্যালকাটা কাস্টমসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে আইএফএ শিল্ড ২০২৬-এ জয় দিয়ে অভিযান শুরু করল ইস্টবেঙ্গল। রিকি ঘরামির গোলে পিছিয়ে পড়েও রোহিত কুমার, রোহিত দানু ও আক্রমণভাগের দাপটে ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ায় লাল-হলুদ।

Read More »
বনেদি থেকে বারোয়ারি পুজো ঘুরে দেখুন আপনিও
কলকাতা

সরকারি বাসে-ট্রামে-লঞ্চে পুজো পরিক্রমা, বনেদি থেকে বারোয়ারি পুজো ঘুরে দেখুন আপনিও

দুর্গাপুজো ২০২৬-এ সরকারি বাস, এসি ট্রাম ও লঞ্চে পুজো পরিক্রমার সুযোগ। বনেদি বাড়ি থেকে জনপ্রিয় বারোয়ারি পুজো, শোভাবাজার রাজবাড়ি থেকে বাগবাজার—জেনে নিন রুট, ভাড়া, সময়সূচি ও বুকিংয়ের তথ্য।

Read More »
পশ্চিমবঙ্গের একটি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতীকী ছবি
কলকাতা

পশ্চিমবঙ্গে মাদ্রাসা নিয়ে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ, ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ২৫০ প্রতিষ্ঠানে সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা

পশ্চিমবঙ্গে মাদ্রাসা নিয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপ আরও বাড়ছে। ২৫২টি প্রতিষ্ঠানকে বন্ধের নোটিস ও প্রায় ১০০টিকে শোকজের পর কম ছাত্রসংখ্যা ও পরিকাঠামোর ঘাটতি থাকা আরও প্রায় ২৫০টি মাদ্রাসা নিয়ে ডিসেম্বরের মধ্যে সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অনুমোদন, নথিপত্র ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ এখন আলোচনার কেন্দ্রে।

Read More »
কলকাতায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে বিনিয়োগ পরিকল্পনা ঘোষণা করছেন গৌতম আদানি
কলকাতা

অদানির বড় ঘোষণা: বাংলায় ২০৩৫-এর মধ্যে ১ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ, পাশে মুখ্যমন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গে ২০৩৫ সালের মধ্যে ১ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগের রোডম্যাপ ঘোষণা করল আদানি গোষ্ঠী। বন্দর, লজিস্টিক্স, বিদ্যুৎ, রাস্তা, সবুজ সিমেন্ট ও ডেটা সেন্টারের পাশাপাশি নিউ টাউনে ৪,০০০ কোটির বেশি টাকায় ২,০০০ শয্যার আদানি আরোগ্য মন্দির গড়ে উঠবে।

Read More »
তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের CEC জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে FIR ও তদন্তের দাবিকে কেন্দ্র করে SIR বিতর্কের খবর; ছবিতে মহুয়া মৈত্র, নির্বাচন কমিশন, ভোটার তালিকা ও Form 6-এর নথি এবং জ্ঞানেশ কুমারের ছবি রয়েছে।
কলকাতা

SIR বিতর্কে CEC জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে মহুয়া মৈত্রের অভিযোগ, FIR চাইলেন

SIR বিতর্কে নতুন মোড়। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় CEC জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা দিয়ে FIR ও তদন্তের দাবি করেছেন। ভোটার তালিকা, Form 6 এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে তাঁর অভিযোগের পাল্টা বক্তব্যও দিয়েছে কমিশন।

Read More »
রবিবার খুলবে ব্যাংক,
কলকাতা

রবিবার খুলবে ব্যাংক, ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে টানা ৩ দিনের ধর্মঘট: গ্রাহকদের জন্য কী জানা জরুরি

সরকারি খাতের ব্যাংক ও আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাংক ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার খোলা থাকবে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া তিন দিনের দেশব্যাপী ধর্মঘটের আগে। গ্রাহক ভোগান্তি কমানো এবং জরুরি ব্যাংকিং কাজ আগেভাগে সম্পন্ন করার সুযোগ দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পাঁচ দিনের ব্যাংকিং সপ্তাহের দাবিতে ইউনিয়নগুলির আন্দোলনও জোরদার হচ্ছে।

Read More »
error: Content is protected !!