কলকাতার পাড়ায় পাড়ায় চায়ের দাম হঠাৎ কেন বাড়ল? চা পাতা, দুধ, গ্যাস, পরিবহন ও শ্রমমূল্যের ধারাবাহিক বৃদ্ধির চাপ এসে পড়েছে ছোট চায়ের দোকানগুলোর উপর। এই প্রতিবেদনে বিশ্লেষণ করা হয়েছে দাম বৃদ্ধির আসল কারণ ও তার প্রভাব।
মেট্রোর অতিরিক্ত ভিড় আর বাসের অভাব—এই দুই সমস্যার মধ্যে প্রতিদিন আটকে পড়ছেন কলকাতার লক্ষ লক্ষ নিত্যযাত্রী। যাতায়াতের এই সংকট শুধু সময় নয়, কেড়ে নিচ্ছে স্বস্তি, মানসিক শান্তি ও আর্থিক স্থিতিও।
কলকাতার রাস্তায় ট্রাফিক জ্যাম দিন দিন কেন বাড়ছে? গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি থেকে অবকাঠামোগত ত্রুটি ও নাগরিক অভ্যাস—সব দিক বিশ্লেষণ করে এই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যানজটের আসল কারণ এবং সম্ভাব্য সমাধানের ইঙ্গিত।
বছরের শেষদিনে রাজ্যজুড়ে জাঁকিয়ে শীত। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ—সবখানেই কনকনে ঠান্ডা ও কুয়াশার দাপট। নতুন বছরের শুরুতেও শীত বজায় থাকার ইঙ্গিত আবহবিদদের।
মরশুমের শীতলতম দিনে কাঁপছে বাংলা। উত্তুরে হাওয়া ও কুয়াশার দাপটে কলকাতা সহ জেলাগুলিতে দ্রুত নামছে পারদ। বর্ষশেষ ও নববর্ষে তাপমাত্রা আরও কমার ইঙ্গিত দিচ্ছে আবহাওয়া দপ্তর।
শীত নামতেই কলকাতার নাইটলাইফে নতুন প্রাণ। পার্ক স্ট্রিট থেকে রুফটপ লাউঞ্জ—সবখানেই ভিড়, আর পর্যটনে রেকর্ড বুকিং। হোটেল, রেস্তোরাঁ ও নাইট ট্যুরে চাঙ্গা শহরের অর্থনীতি, জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থাও।
নিউ ইয়ার্স ইভের আগে কলকাতাজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পার্ক স্ট্রিট, সল্টলেক ও নিউ টাউনে বাড়ানো হয়েছে পুলিশি নজরদারি, সিসিটিভি ও ড্রোন পর্যবেক্ষণ। লক্ষ্য একটাই—নিরাপদ ও নির্বিঘ্নভাবে নতুন বছরকে স্বাগত।
নিউ ইয়ার্স ইভ ২০২৬-এর আগে আলো, নিরাপত্তা ও উৎসবের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত কলকাতা। পার্ক স্ট্রিট থেকে নিউ টাউন—শহরজুড়ে কীভাবে প্রশাসন, ব্যবসা ও নাগরিকরা নতুন বছরকে স্বাগত জানাচ্ছে, তারই বিস্তারিত ছবি তুলে ধরছে এই প্রতিবেদন।
বড়দিনে Park Street-এর আলো, মানুষের ঢল আর উৎসবের আবহে আবার রাস্তায় ফিরেছে কলকাতা। খাবার, সঙ্গীত ও সংস্কৃতির মিলনে এই উৎসব শুধু আনন্দ নয়, শহরের মানসিক ও সামাজিক পুনর্জাগরণের প্রতীক।